মীন লগ্নের মানুষের সভাব, চরিত্র, প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য
![]() | ||
|
স্বভাব ও প্রকৃতি – মীন লগ্নের জাতক-জাতিকারা সৎপ্রকৃতি, বুদ্ধিমান, ধীর ভীর, সৃষ্ট ধর্মী, ধার্মিক দেবদ্বিজে ভক্তি ও আধ্যাতিক চেতনা যুক্ত হয়। এরা নাটক নভেল উপন্যাস। ও শিল্পে-সাহিত্য গ্রন্থ প্রভৃতি রচনা করে জগতে অমর খ্যাতি লাভ করতে পারেন।
বিদ্যাস্থান - এদের বিদ্যায় বিশেষ উন্নতি হয়। যদি বিদ্যাপতি চন্দ্র, স্বক্ষেত্র দ্বিতীয় বা নবমে থাকে। ঐ চন্দ্র যদি অষ্টম বা দ্বাদশে থাকে তাহলে বিদ্যা শেষ হয়ে যায় কলেজ জীবনেই।
অন্যান্য - এই কয়েকটি জিনিস ঘরে রাখুন, জীবনে কোনদিন টাকা-পয়সার অভাব হবেনা
কর্মস্থান– ধনুরাশি হল মীন লগ্নের জাতক/জাতিকার কর্মস্থান এবং বৃহস্পতি হল অধিপতি। যিনি আবার দেবগুরু। তিনি চান না তার জাতকেরা কোন অন্যায় কাজ করুক। সেই কারনেই তার জাতকের ন্যায়, গুনী দীক্ষা দাতা, ধর্মশাস্ত্র, স্কুল শিক্ষক, পুরােহিত, পরামর্শদাতা, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসার, অর্থনীতিবিদ ইত্যাদি হয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।
বিবাহ -বুধ হল মীনের জাতকের সপ্তম পতি। সে হল বৃহস্পতির শত্রু। তাই এদের দাম্পত্য জীবন সুখের হয় না। কিন্তু বিবাহের পর ব্যবসায় উন্নতি হয়।।
সন্তান স্থান -এদের সন্তান স্থান হল কর্কটরাশি অধিপতি চন্দ্র। মীন লগ্নের পুত্রের সংখ্যা বেশী বা পুত্র কন্যার বিষয়ে বিশেষভাবে ভাবতে হয়। মীনের জাতক/জাতিকাদের ছেলেমেয়েরা প্রায় সকলেই অতি সহজ সরল দেব-দ্বিজে ভক্তিযুক্ত হয়।
ভাগ্যস্থান – এদের ভাগ্যস্থান হল বৃশ্চিকরাশি অধিপতি হল মঙ্গল। কর্মস্থানের অধিপতি বৃহস্পতি মঙ্গলের মিত্র তাই এদের কর্মস্থান ও ভাল এবং ভাগ্যস্থানও ভাল। বৃহস্পতি এদের আত্মজ সেই জন্যই এদের জীবনের মধ্য বয়স থেকে উন্নতি হয়।
অন্যান্য - আপনার হাতের রং দেখে মিলিয়ে নিন আপনার ভাগ্য কেমন?
আয়স্থান - শনি হলেন এদের আয়পতি। এদের অর্জিত অর্থ বড়ই কষ্টের। কারন বহুদৈহিক ও মানসিক পরিশ্রম করিয়ে তবে পয়সা উপার্জন করে।
ব্যয়স্থান - এরা জীবনে অর্থ বা সম্পদ কোন কিছুর প্রতি ঝোঁক না। তাই এরা যদি একটাকা আয় করে ব্যয় করে দু টাকা। এই লগ্নের জা/জাতিকারা দয়া দাক্ষিন্য প্রচুর করে। তার জন্য ঋণের বােঝাও বেড়ে যায়। এদের জীবনে সঞ্চয় বলতে কিছুই নেই।
আয়ুযােগ – এদের আয়ু প্রচুর যেমন এরা ৭৫ বৎসর বয়স থেকে ১০০ বৎসর বয়স পৰ্য্যন্ত বাঁচতে পারে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন